আমরা অমুসলিমদের কাছে আজানের পরিচয়ও করাইনি

এই কথার ওপর বিস্মিত হওয়ার দরকার যে, মানুষ বলে এতমামে হুজ্জত হয়ে গিয়েছে। কত আফসোসের বিষয় সারে আটশ বছরের বেশি সময় আমরা এই দেশের অমুসলিমদের সাথে চলাফেরা করছি। বিশেষ করে খাওয়া দাওয়া, লেনদেনও করে আসছি। কিন্তু সেই আজান যার মধ্যে বিশেষভাবে দাওয়াতের একটি দিক রয়েছে, যা দিনে পাঁচবার তাদের কানে শোনানো হয়, কিন্তু আজানের অর্থ ও উদ্দেশ্য অমুসলিমদের কাছে বলতে পারিনি। এদের মধ্যে অনেকে মনে করে মুসলমান আকবর বাদশাকে ডাকে। একজন ব্যক্তি যিনি ইসলাম সম্পর্কে অনেক জানে বলে দাবি করে, সে আজানের ব্যাখ্যায় বলে মুসলমান আজানের মধ্যে বলে আকবারের মতো বাদশা আকবার আসুক। কবিদের মতো মানুষ যে অর্ধেক মুসলমান ছিল, তার ইসলাম বরং আজান সম্পর্কে অজ্ঞতার অবস্থা ছিল এই-( হিন্দু কবি)

পাথর কঙ্কর দিয়ে বানালে মসজিদ

এতো জুড়ে আজান দেয় মোল্লা

মনে হয় খোদা বধির

সেই বেচারা মনে করেছে মুসলমান এতো জোরে আল্লাহকে ডাকে। আজানের অবস্থা যদি এমন হয়, তাহলে কুরআন আর ইসলামের কী অবস্থা হবে?

এরপর একথা বলা ‘সবাই যানে’! এতমামে হুজ্জাত হয়ে গিয়েছে, আমাদের দায়িত্ব না এগুলো বলা কত বড় স্পর্ধা ও সাহসের কথা।

হযরত মাওলানা কালিম সিদ্দিকী সাহেব

অনুবাদ: মুফতি যুবায়ের আহমদ