আসুন রমজানের নূরকে সংরক্ষণ করি

আসুন রমজানের নূরকে সংরক্ষণ করি
রমজানের পরে করনীয় কিছু কাজ
রমজানুল মুবারক তার সমস্ত রহমত, বরকত নিয়ে এসে ছিল। আবার চলেও গেল। প্রত্যেক মুসলমান অন্য মাসের তুলনায়, এ মাসে ইবাদত বন্দিগী ও আনুগত্যের দিকে অনেক বেশী ধাবিত হয়েছে। রোজা রেখেছে। নামায আদায় করেছে। কিছু না কিছু তিলাওয়াত ও যিকির এবং দুআর প্রতি গুরুত্ব দিয়েছে। এমন অনেকে ছিল যারা সাহরী খাওয়ার সাথে সাথে তাহাজ্জুদের নামাযও আদায় করেছে। ধারাবাহিক ভাবে রোজা রাখা এবং আনুগত্যের মধ্যে প্রতিযোগিতার সাথে এগিয়ে যাওয়া বিভিন্ন দিক থেকে নুরানী এবং দ্বীনি পরিবেশে প্রভাবিত হয়ে প্রত্যেক মুসলমানের অন্তরে এই জজবাহ তৈরী হয়েছে। যে, হায়! এ ধরণের ভালো পরিবেশ যদি সর্বদাই থাকতো। নি:সন্দেহ ভালো কাজে অটল থাকা খুবই মুবারক বিষয়। তার এই জযবাও ইসলামে খুব পছন্দনিও প্রশংসিত। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন।
احب الاعمل الي الله ما دوام عليه صاحبه ان قلَّ
আল্লার নিকট পছন্দনীয় আমল হল সেটা যা, সর্বদা নিয়মিত করা হয়। চাই সেটা অল্প হোক। নেক কাজ, ভালো কাজ, আনুগত্য ও জিকিরের মামুলাতের উপর জুরে থাকা, এমনিতেই মানুষের নফসের পরিশুদ্ধির ব্যাপারে খুব অস¦াভাবিক প্রভাব রাখে। যে কোনো আমলের উপর ধারাবাহিভাবে লেগে থাকা এবং সর্বদা সে আমলের উপর প্রতিষ্ঠিত থাকা, আল্লাহর কাছে কবূল হওয়ার আলামত মনে করা হয়। হাজী এমদাদুল্লাহ মুহাজিরে মাক্কি রহ: বলতেন দ্বিতীয় বার কোনো আমলের সুযোগ হলে পূর্বের আমল কবুল হওয়ার আলামত মনে করি। আমার যদি যোহরের নামাজের তৌফিক হয়, তাহলে মনে করি আমার ফজরের নামাজ কবুল হয়েছে। ফজরের নামাজ যদি কবুল না হতো তাহলে যোহরের নামাজ পড়ার তৌফিক হতো না। এমনিভাবে যদি আসরের নামাজের সুযোগ হয়, তাহলে মনে করি যোহরের নামাজ কবুল হয়েছে। ঠিক যে কোনো আমল ধারাবাহিক ভাবে করতে পারা সে আমল কবুল হওয়ার আলামত। হাজী সাহেবের মতো আধ্যাতিক চিকিৎসক এবিষয়ে আরো বলেন। রিয়া, লোক দেখানো আমল প্রথমে রিয়াই থেকে যায়। পরবর্তিতে সেটা অভ্যাসে পরিণত হয়। আর ভালো কাজের অভ্যাসকে আল্লাহ তাআলা ইবাদাতে রুপান্তরিত করে দেন।
এই জন্য কোনো আমল যদি এখলাসের সাথে করার সুযোগ না হয়। এরপর সেই আমলকে ছেড়ে দেওয়া উচিৎ নয়। কারণ কোনো মানুষকে খুশি করার জন্য, বা লোক দেখানোর ধারাবাহিক আমল করতে পারে না। মানুষকে দোখানো এবং ভক্ত করার জন্য দুই চারদিন নেক কাজ করার পর বিরক্ত হয়ে যায়। শুধু আল্লাহকে সন্তুষ্টি করার জন্য কোনো কাজকে যতবার চাই করুক, এতে এই কাজের আরো আগ্রহ সৃষ্টি হবে।
তাই মানুষকে দেখানোর জন্যও যদি কেউ কোনো নেক কাজ শুরু করে, তাহলে সেটা যেন বন্ধ না করে। রিয়া ধারাবাহিক ভাবে আমল করতে পারলে সেটা অভ্যাসে পরিণত হয়ে যায়। নিয়ত ছাড়া কোনো কাজ যদি ধারাবাহিক ভাবে করা হয়, তাহলে সেই ধারাবাহিকতার কারণে ইবাদতে রুপান্তরিত হয়ে যায়। আল্লাহ তাআলা এখলাস দান করেন। সেই আমলকে আরো শাক্তিশালী করেন।
এই জন্য নিজের ভালো কাজ গুলো আল্লাহর নিকটে কবুল করানোর জন্য সেই আমলের উপর দৃঢ় ও প্রতিষ্ঠিত থাকা খুবই জরুরী। চাই শুরুর দিকে লৌকিকতার সাথেই ধারাবাহিক ভাবে আমল করা হোক, পবিত্র মাসের ভালো কাজ গুলো এবং তার ফলাফল মানুষের অন্তরের ও আধ্যাতিকতার যেই পরিশুদ্ধি হয়েছে, আনুগত্যের আগ্রহ পাপ থেকে তাওবা এবং তা গুনাহ থেকে বাঁচার যেই ফিকির পবিত্র মাসের বরকতে অর্জন হয়েছে এমন কোনো মুসলমান পাওয়া যাবেনা, এই অর্জনের জন্য তার অন্তর আনন্দিত না হয়েছে। প্রত্যেক মুসলমানের ইচ্ছা, হায়! সর্বদা যদি এমন অবস্থা থাকতো। এই জন্য শাওয়াল মাসে কিছু আমল লৌকিকতার সাথে সর্বদা আমল করলে, ইনশাআল্লাহ ভালো কাজে সর্বদা অটল থাকার তৌফিক হবে।
১. শাওয়াল মাসে ছয়টি রোজা রাখা যার ব্যাপারে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন।
من صام رمضان ثم اتبعه ستامن شوال كان كصيام الدهر .
অর্থ. যে ব্যক্তি রমজানের রোজা রেখেছে, এরপর শাওয়ালে ছয়টি রোজা রাখল, কেমন জানি সে পুরো বছর রোজা রাখল।
শাওয়ালের এই রোজা, যাকে আমাদের পরিভাষায় শেষ ঈদের রোজা বলা হয়।
এই রোজা, পবিত্র মাসের অবস্থা এবং আনুগত্যের ইচ্ছাকে টিকিয়ে রাখার জন্য আশ্চর্য্য ধরনের প্রভাব সৃষ্টি করে। এই জন্য পুরো মাসের মধ্যে এই রোজাগুলো পূরণ করা। এক সাথে ধারাবাহিক ভাবেও রাখতে পারে। আবার ভেঙ্গে ভেঙ্গে রাখতে পারে।এ ব্যাপারে ইসলামে কোনো বাধ্যবাধকতা নেই। ধারাবাহিক ভাবে ছয়টি রোজা রেখে সপ্তম দিন ঈদ পালন করা, হলো বেদায়াত শারীয়তের মধ্যে এর কোনো অবস্থান নেই। শাওয়ালের ছয়টি রোজা কে কেন্দ্র করে বেহুদা এই ঈদ পালন করা হয়। এটা বেদাআত যার দ্বারা রোজার বরকত থেকে বঞ্চিত হওয়ারও সম্ভাবনা আছে।
শাওয়ালের ছয় রোজা ছাড়াও এই স¦ভাবজাত ধর্মে এবং রাহমাতুল্লিল আলামিন সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর আনুগত্যের সুন্নাতে রয়েছে তার আধ্যাতিকতা সন্তুষ্টির জন্য পেটকে খালি রেখে রোজার পর রোজা রাখার মধ্যমে। এই সিলসিলা জারি রাখার জন্য নফল রোজা রাখার এক পদ্ধতি ঠিক করা হয়েছে। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম নিজে আমল করে, রোজার পর রোজা রেখে আমাদেরকে উদ্ভুদ্ধ করেছেন। সাপ্তাহে সোম ও বৃহস্পতি বার এবং মাসে আইয়ামে বিজ। অর্থাৎ আরবী মাসের ১৩,১৪,১৫ তারিখে রোজা রাখা। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের আধিকাংশ সময় এই আমলগুলো ধারাবাহিক ভাবে করেছেন বলে প্রমাণ পাওয়া যায়। এগুলো রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর মামুলাত ছিল। রমজানের আধ্যাতিক অবস্থাকে বাকি রাখার আগ্রহী উম্মত যদি সাপ্তাহিক এবং মাসিক রোজাগুলোর গুরুত্ব দেয়, তাহলে এটা আধ্যাতিক এবং শারীরিক সুস্থতার শক্তির বড় মাধ্যম হিসেবে প্রমানিত হবে। শুরুতে কিছুটা লৌকিকতার সাথে হলেও ধারাবাহিক ভাবে আমল করা। কয়েক মাস গুরুত্বের সাথে আদায়ের পর রোজর বাহ্যিক কষ্টগুলোও শেষ হয়ে যাবে।
২. রমজানুল মুবারকের সকল বরকতগুলো শুধুমাত্র কোরআন নাযিলের বরকতে আল্লাহ তায়ালা আমাদেরকে দান করেছেন। এই জন্য সুন্নাত রোজা রাখার সাথে দ্বিতীয় সবচেয়ে গুরুত্ব পূর্ণ ও জরুরী কাজ হল। যা শাওয়াল মাসে আদায় করতে হবে। তাহল নিজের বা নিজের বাসায় ধারাবাহিক ভাবে আল্লাহর কালাম তেলাওতেয়াত করার চেষ্টা করতে হবে। এর জন্য এমন একটি পদ্ধতি তৈরী করা যেতে পরে। তা হলো দিনের বেলায় সব কাজ শুরু করবে কুরআন কারিমের তেলাওয়াতের মাধ্যমে। মামুলাত অনুযায়ী নাজেরা তো পড়বেই সাথে সাথে কিছু অনুবাদও পড়বে। এই খেয়াল করবে, আমাদের প্রভু তার পবিত্র কালামে আমাদের থেকে কী চান? কোন জিনিসকে তিনি পছন্দ করেন এবং কোন জিনিসকে করেন অপছন্দ। যেই সৌভগ্যবান ব্যক্তিরা কুরআনে কারীমকে হিফজ করেছে। অথবা আংশিক হিফজ করেছে বা ঐ দূর্বল প্রকৃতির হাফেজ যাদের কুরআন শরীফ মুখস্ত কম আছে তারাও যখন কিছু তেলাওয়াত করবে। তখন এই খেয়াল করবে যে আমার আল্লাহ আমাকে নির্দেশ দিচ্ছেন। হে আমার বান্দা! আমার কালাম শুনাও আমি আল্লাহ তায়লাকে তার কালাম শুনাচ্ছি। কোনো এক নিরব সময়ে মাগরিবের পর আওয়াবীনের নামাযে, সব চেয়ে ভালো হয় তাহাজ্জুদ নামাযে কুরআন শারিফ তেলাওয়াত করা। এটাই নিত্যদিনের মামুলাত বানিয়ে নেওয়া। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সর্বদা এর উপর আমল করতেন। এই ভাবে নামাজে আল্লাহর দরবাবে দাঁড়িয়ে কুরআনে হাকিম পড়া এবং শুনানোর দ্বারা আল্লাহর নৈকট্য ও সন্তুষ্টি অর্জন হয়। সাথে সাথে অন্তরের জং দূর হয়ে য়ায়। ব্যাপারে এর মধ্যে আল্লাহ তায়ালার অস্বাভাবিক প্রভাব হয়েছে।
৩. মাসনুন রোজা, কালামুল্লাহর তেলাওয়াত এর প্রতিষ্ঠার সাথে সাথে শাওয়ালের তৃতীয় আমল হল, তাহাজ্জুদে অভ্যস্ত হওয়া চাই চার রাকাতই হোক না কেন।
কোনো ভাবে এলার্ম দিয়ে রাখা। কাছে দ্বারে যারা তাহাজ্জুদ পড়ে তাদেরকে তোষামোদ করা, তারা যেন একটু ডেকে দেয়। মোট কথা তাহাজ্জুদের সময় জাগ্রত হওয়ার জন্য কোনো একটি পথ বের করে নেওয়া। রমজান মাসে সেহরী খাওয়ার বরকতে প্রত্যক মুসলমান কিছু না কিছু তাহাজ্জুদ পড়ার সুযোগ পেয়েছে। শাওয়ালে যদি একটু চেষ্টা করে হিম্মতের সাথে, তাহাজ্জুদের অভ্যস্ত হওয়ার চেষ্টা করে, তাহলে সে তাহাজ্জুদ গুজার হয়ে যায়। আল্লাহ নৈকট্য অর্জনের জন্য এটা হল অমূল্য মূহূর্ত। কুরআনে কারিমে কত সুন্দর ভাবে আল্লাহ তাআলা বলেছেন। انَ قران الفجر كان مشهودا নিশ্চয় সকালের কুরআন একেবারে আল্লাহর সামনা সামনি হয়।
সেহেরির সময় জাগ্রত হওয়া, নামাযের মাধ্যমে কয়েকমিনিট আল্লাহর সাথে সাক্ষাৎ এবং দুআ কান্নাকাটি হলো, সকল প্রকার সফলতার সিঁড়ি। আল্লামা ইকবাল বলেন।
আত্তর হোক, আর হোক রোমী, আর গাজালী।
কিছুই অর্জন হবে না শেষ রাতের বিনা আহাজারী ।
শেষ রাতে জাগ্রত হওয়া, আল্লাহর দরবারে কান্নাকাটি করা, শুধু আধ্যাতিক শক্তি সঞ্চার করে এমন নয় বরং ফজরের পূর্বে কিছুক্ষণ জাগ্রত থাকা মানুষের শারীরিক সুস্থতার মাধ্যম বটে।
এক বুজুর্গ ছিলেন তাঁর মজলিস সম্পর্কে প্রসিদ্ধ ছিল যে তাঁর মজলিম সর্বদা নিরব ও ভাবগাম্ভির্য থাকে। একদিন মজলিসের অনিয়ম পরিলক্ষিত হল, একজন অপরজনের সাথে কানাঘুষা করছিল স্বজোরে কথা হচ্ছিল। এমন সময় মজলিসে উপস্থিত হলো পুরানো এক মুরিদ। বহুদিন পর মজিলিসের বদলে জাওয়ার রূপ দেখে অস্থির হয়ে শায়খের কাছে গেল। শায়খকে এর কারণ জিজ্ঞাসা করলে শাইখ উত্তরে তার হাটুর দিকে ইঙ্গিত করে দেখালেন। মুরিদগণ শাইখের উত্তর বুঝতে ব্যর্থ হল, কিন্তু আদবের কারণে দ্বিতীয় বার জিজ্ঞাসার হিম্মতও হল না। কিচ্ছুক্ষণ মজলিসে আওয়াজ আরো বেড়ে গেল, অবস্থা এই পর্যায়ে গড়ালো যে, তুই তুমি পযর্ন্ত পৌঁছেগেল। পুরানো মুরিদদের এই অবস্থা আর সহ্য হলো না। দ্বিতীয় বার শায়খের কাছে মজলিশের অনির্ভরতা ও পরিবর্তনের অবস্থা সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করল, শাইখ আবার তার হাটুর দিকে ইশারা করলেন। মুরিদ বলল শাইখ! বিষয়টি পরিস্কার করে বলেন। শায়খ বললেন রাতে আমার হ্টাুতে খুব ব্যথা ছিল, ফলে অনেক রাত পর্যন্ত ঘুমাতে পারি নি, তাই শেষ রাতে ঘুম ভাঙ্গে নি, তাহাজ্জুদে আহাজারির আমল ছুটে গেছে, তাই মজলিসের অবস্থা উল্টা পাল্টা হয়ে গেছে। এই তাহাজ্জুদ শুধু আধ্যাতিক ও আত্মিক উন্নতি লাভের মাধ্যম নয়, বরং বাহ্যিক ও জাগতিক শান্তি প্রশান্তির মধ্যেও রয়েছে অনেক প্রভাব। রমজানের পর শাওয়ালের শুরুতে যদি কিছুটা হিম্মত করে একটু তাহাজ্জুদের পাবন্দি করে, তাহলে পুরো জীবন তাহাজ্জুদের উপর অটল থাকার সৌভাগ্য হয়।
৪. পবিত্র রমজানের বরকত নিকটে রাখার জন্য নফল রোজা তেলাওয়াত তাহাজ্জুদ ছাড়াও চতুর্থ একটি উপকারী কাজ হলো, হাদিস শরিফের কোনো কিতাব তালিম করা। যেমন মা’রিফুল হাদিস যাদুস সফর, (রিয়াজুস সালিহীনের অনুবাদ) ইমাম বুখারী রহ. আদাবুল মুফরাদ, ফাজায়েলে আমল, মুন্তাখাবুল হাদিস, শামায়েলে তিরমিযী, অথবা উসওয়ায়ে রাসূলে আকরাম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, ইত্যাদি। যার মধ্যে দৈনন্দিন আমলের ব্যাপারে নবীজীর হাদিসগুলো একত্রিত করা হয়েছে। বাসার সকল সদস্যকে নিয়ে একত্রিত করে কয়েক মিনিট পড়া এবং শুনাকে মামুলাত বানিয়ে নেওয়া উচিৎ। অবুঝ বাচ্চাদেরও এই তালিমে অংশ গ্রহণ করানো। নবুওয়াতের কথার নূর ঘরের দেওয়ালের মধ্যেও প্রভাব ফেলে। এই ছোট ছোট চারটি আমল যদি আমরা শাওয়ালের শুরুতে গুরুত্বের সাথে আমল করি, পবিত্র রমজানের বরকতে আনুগত্যের স্পৃহা ও জজবা টুটাফাটা যা অর্জন হচ্ছে শুধু জারি থাকবে না বরং করতে থাকবে।

মূল হযরত মাওলানা কালিম সিদ্দিকী
অনুবাদ. যুবায়ের আহমদ