গোপনীয়তার একটি শরয়ী মাসয়ালা

এখলাসের কারণে গোপনীয়তার যে বিষয়টি সামনে আসে এ বিষয়টি বুঝতে হবে। গোপনীয়তার শরয়ী মূলনীতি হলো, যেখানে কাউকে দেখানোর জন্য কোনো কাজ করা হলো রিয়া। সেখানে একই উদ্দেশ্যে কোনো কাজ ছেড়ে দেয়া বা গোপন রাখা যে, মানুষ দেখে ফেলবে, এটাও এক ধরনের রিয়া। তাই দাওয়াতী প্রচেষ্টায় আমার মাধ্যমে মানুষের মধ্যে আমার নাম হবে। এধরনের জজবা একেবারেই ভুল। কিন্তু অন্যদিকে এটাও ঠিক আমি দাওয়াতী কাজ করছি মানুষ জানেই না, কমপক্ষে দাওয়াতী কাজে এমনটির অবকাশ নেই। বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হবে, মানুষ বিরোধী হয়ে যাবে, কাজ বন্ধ হয়ে যাবে, এসব বুযুর্গানা পরামর্শে দায়ীদের আওয়াজ গোপন হয়ে যায়। এই জাতি এখন পর্যন্ত তার মানবীয় ভাই এবং দেশের অমুসলিমদেরকে একথা বুঝাতে পারেনি যে, মুসলমানদের কাছে সফলতা ও মুক্তির পয়গাম, আছে মালিকের পক্ষ থেকে বিধিবিধান।

   অন্যান্য ধর্ম যাদের কাছে প্রচারের কোনো সুযোগ নেই, তারা ইসলামের দাওয়াতী ও প্রচারমুখী চিন্তাধারাকে গ্রহণ করে নিজ মিশন ও আন্দোলনের মাধ্যমে দাওয়াতের পরিচয় বানাচ্ছে। কিন্তু একথা কারও জানা নেই যে, এই মুসলিম জাতিকে উত্তম জাতি বানিয়েছে। আসমান জমিনের প্রভু মুসলমানদেরকে মানবতার পথ প্রদর্শক ও ইসলামের প্রচারের জন্য পাঠিয়েছেন।

হযরত মাওলানা কালিম সিদ্দিকী সাহেব

অনুবাদ: মুফতি যুবায়ের আহমদ